You can access the distribution details by navigating to My Print Books(POD) > Distribution
পড়ার টেবিলে বই খোলা, কিন্তু মন কি ভাসছে সোশ্যাল মিডিয়ার পর্দায়? ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়েও পরীক্ষার হলে গিয়ে সব গুলিয়ে যাচ্ছে?
একটি সাধারণ দৃশ্য: বই নিয়ে বসার ঠিক ৫ মিনিটের মাথায় হাত চলে যায় স্মার্টফোনে। একটি নোটিফিকেশন দেখতে গিয়ে কেটে যায় ঘণ্টাখানেক। কিংবা পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র হাতে পেতেই বুক ধড়ফড়, গলা শুকিয়ে আসা এবং চেনা উত্তর হঠাৎ ভুলে গিয়ে মাথা পুরো ফাঁকা বা ‘ব্রেন ফ্রিজ’ হয়ে যাওয়া!
অধিকাংশ শিক্ষার্থী ও অভিভাবক একে নিছক আলস্য, মেধার অভাব বা মানসিক দুর্বলতা বলে ধরে নেন। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান ও নিউরোসায়েন্স বলছে—সমস্যাটি আপনার মেধায় নয়, আপনার পড়ার সনাতন পদ্ধতিতে!
মনোযোগ কোনো অপরিবর্তনশীল জন্মগত গুণ নয়; সঠিক বৈজ্ঞানিক অনুশীলনের মাধ্যমে মস্তিষ্ককে যেকোনো বয়সেই নতুন করে গড়ে তোলা সম্ভব (নিউরোপ্লাস্টিসিটি)। আর ঠিক এই বৈজ্ঞানিক সমাধানটিই সহজ বাংলায় নিয়ে এসেছে সঞ্জয় মণ্ডলের আলোড়ন সৃষ্টিকারী বই—“পড়তে বসলেই মন পালায়?”
এই বইটি কেন প্রতিটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের পড়া বাধ্যতামূলক?
গবেষণালব্ধ নিউরোসায়েন্স ও মনস্তাত্ত্বিক কৌশলকে একদম দৈনন্দিন পড়ার অভ্যাসে রূপান্তর করতে বইটিতে রয়েছে বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনা:
মনোযোগের রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণ ও ডোপামিন ব্যালেন্স: সোশ্যাল মিডিয়া ও রিলসের আসক্তি কাটিয়ে মস্তিষ্ককে গভীর মনোযোগে (Deep Work) কীভাবে ফিরিয়ে আনবেন।
বিস্মৃতির ফাঁদ বনাম স্মৃতি গঠনের বিজ্ঞান: বারবার পড়া ও দাগানোর মতো নিষ্ক্রিয় অভ্যাস বাদ দিয়ে ‘অ্যাক্টিভ রিকল’ এবং ‘স্পেসড রিপিটেশন’-এর সাহায্যে পড়া আজীবনের জন্য মস্তিষ্কে গেঁথে নেওয়ার ফর্মুলা।
বিশ্বখ্যাত লার্নিং টেকনিক: জটিল বিষয় নিমেষে আয়ত্ত করতে ‘ফাইনম্যান টেকনিক’, ‘লাইটনার বক্স’ এবং প্রাচীন গ্রিকদের ‘মেমোরি প্যালেস’ মেথড।
ঘুম ও স্মৃতি সংহতকরণ: রাত জাগা নয়, কীভাবে বৈজ্ঞানিক ‘১০-৩-২-১-০ স্লিপ ফর্মুলা’ মেনে ঘুমকে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির আসল অস্ত্রে পরিণত করবেন।
মস্তিষ্কের পুষ্টি ও নিউরো-নিউট্রিশন: পড়ার টেবিলে ক্লান্তি ও ঝিমুনি দূর করার জন্য মস্তিষ্কের প্রয়োজনীয় জৈবরাসায়নিক জ্বালানি ও খাদ্যাভ্যাস।
পরীক্ষাভীতি ও স্ট্রেস জয়: পরীক্ষার হলের প্যানিক থামাতে ‘স্ট্রেস ইনোকুলেশন থেরাপি’ এবং তাৎক্ষণিক উদ্বেগ কমাতে বৈজ্ঞানিক ‘ফিজিওলজিক্যাল সাই’ শ্বাসের কৌশল।
পরীক্ষার দিনের নিখুঁত ব্লুপ্রিন্ট: পরীক্ষার আগের ২৪ ঘণ্টার রুটিন, সময়ের সঠিক ভাগ এবং শেষ ১৫ মিনিটে 'সিলি মিস্টেক' বা অসতর্কতাজনিত ভুল শূন্যে নামিয়ে আনার রূপরেখা।
বইটি কাদের জন্য?
শিক্ষার্থীদের জন্য: যারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা টেবিল আঁকড়ে থেকেও পড়ার ফলাফল পাচ্ছেন না এবং পড়া মনে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন।
অভিভাবকদের জন্য: সন্তানের পড়ার টেবিলে অমনোযোগ বা মোবাইল আসক্তি দেখে বকাঝকা না করে বৈজ্ঞানিক উপায়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য।
চাকরিপ্রার্থী ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার্থীদের জন্য: বিশাল সিলেবাস অল্প সময়ে নিখুঁতভাবে শেষ করতে এবং পরীক্ষার হলের চাপ সামলাতে।
“পড়ার টেবিল কোনো যুদ্ধক্ষেত্র নয়, আর আপনার মস্তিষ্ক কোনো অক্ষম যন্ত্র নয়।” মুখস্থবিদ্যার গ্লানি আর পরীক্ষার দুঃস্বপ্নকে বিদায় জানান। নিউরোসায়েন্সের হাত ধরে পড়াশোনাকে সহজ, আনন্দদায়ক ও চূড়ান্ত কার্যকর করে তুলতে আজই সংগ্রহ করুন আপনার কপি!
Currently there are no reviews available for this book.
Be the first one to write a review for the book পড়তে বসলেই মন পালায় ?.