You can access the distribution details by navigating to My pre-printed books > Distribution

Add a Review

বাংলার উৎপত্তি অষ্টম পর্ব বঙ্গ (eBook)

Origin of Bangla Eighth Part The ‘Banga’ enigma
Type: e-book
Genre: Social Science, History
Language: Bengali
Price: ₹700
(Immediate Access on Full Payment)
Available Formats: PDF

Description

তাদের দেশের পূর্ব দিশায় , অনেক দূরে কোথাও একটি দেশ আছে , যেখানে গঙ্গানদী প্রবাহিত হয় সেকথা মানবসভ্যতার বর্তমান পর্যায়ের ঊষাকাল হতে ইউরোপীয়দের জানা ছিল | টলেমির বিশ্ব মানচিত্র সেকথার সাক্ষ্য দেয় | সেই অঞ্চলের ( ইউরোপ ) মানুষ যে টলেমির রচনার বহু পূর্বে গঙ্গার প্রবাহ ক্ষেত্রে পদার্পণ করেছিল তার প্রচুর প্রমাণ আছে | গাঙ্গেয় সমভূমির কেন্দ্রস্থলে উপস্থিত মানব সভ্যতার সম্পর্কে ইউরোপীয় ইতিহাসকারের লেখা প্রতক্ষ্যদর্শীর বিবরণ পাওয়া যায় যা যীশু খ্রিস্টের আবির্ভাবের অনেক আগের সময়ে লেখা | টলেমির জন্ম হয়েছিল যীশু খ্রীষ্টের জন্মের শতাধিক বছর পরে | গ্রীক এবং রোমান সাম্রাজ্যগুলি সেই একই পরিণতিতে পৌঁছেছিল , যা শেষ পর্যন্ত সকল সাম্রাজ্যের অদৃষ্টে লেখা থাকে | সেই পর্যায়ের পরবর্তীকালে ইউরোপে অন্ধকার যুগের সূত্রপাত হয় | উজ্জ্বল এক মানব সমাজ অবাধ পতনের দিকে অগ্রসর হয় |

সেই সময়ে , আমরা যাকে ‘ আধুনিক সময় ’ বলি , যখন ইউরোপ নতুন করে আবার নিজেকে ফিরে পেতে শুরু করেছিল , তখন ইউরোপ এবং গঙ্গার প্রবাহ ক্ষেত্রের মধ্যে কিছু বিরূপ শক্তির আবির্ভাব হয়েছিল | সম্ভবত সেই কারণে সেই যাত্রাপথে ভ্রমণ করা এবং যোগাযোগ বজায় রাখার প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছিল | তদুপরি , ততদিনে , প্রযুক্তির উন্নতির কারণে , স্থলপথে ভ্রমণের তুলনায় সামুদ্রিক রাস্তায় যোগাযোগ অনেক বেশী আকর্ষণীয় এবং গ্রহণযোগ্য বিকল্প হিসাবে প্রতিপন্ন হয়েছিল |

বিভিন্ন কারণে , গঙ্গার প্রবাহ ক্ষেত্র অনাদিকাল থেকে সমগ্র বিশ্বকে তার নিজের দিকে আকৃষ্ট করেছে | বলা হয় যে সেই অঞ্চলের সম্পদের বর্ণনা আধুনিক ইউরোপীয়দের সেই অঞ্চলের প্রতি আগ্রহী করে তুলেছিল | ভিন্ন ভিন্ন বিচারকর্তার বিচারে এবং পরিপ্রেক্ষিতের পরিবর্তনে , ‘ সম্পদ ’ শব্দটি ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা অর্জন করে থাকে |

আধুনিক কালের ইউরোপীয়রা পনের শতকের অন্তিম পর্যায়ে সামুদ্রিক রাস্তায় আফ্রিকা মহাদেশকে পশ্চিম হতে পূর্ব দিশায় প্রদক্ষিণ করেছিল | সেখান থেকে ভারতে পৌঁছতে তাদের খুব বেশী সময় লাগেনি | আফ্রিকার মতোই পশ্চিম ইউরোপের সমস্ত দেশের মানুষ ভারতে এসে উপস্থিত হয়েছিল | ভারতে এসে পৌঁছালেও , বাংলা অববাহিকায় না পৌঁছানো পর্যন্ত তারা প্রকৃত ‘ গঙ্গার ভূমিতে ’ পৌঁছাতে পারেনি |

জানা যায় যে মাত্র ১৭ জন মানুষ সফলভাবে বাংলা অববাহিকার শেষ হিন্দু শাসককে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল | বাংলা , বিহার ও উড়িষ্যার শেষ মুসলিম শাসককে ক্ষমতাচ্যুত করতে তার তুলনায় খুব বেশী শক্তি প্রয়োগের প্রয়োজন হয়নি | ব্রিটিশরা গোটা দেশের, অর্থাৎ ভারতবর্ষের শাসন ক্ষমতায় নিজেদেরকে অধিষ্ঠিত করার আগে ' গঙ্গার ভূমি ’ র একটি উল্লেখযোগ্য অংশে শাসন শুরু করার সুযোগ পেয়েছিল|

শেষ পর্যন্ত, সেই অঞ্চলে , তাদের নজরে এমন কিছু অতি প্রাচীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য , বিশেষ করে অতি প্রাচীন সাহিত্য এসে পৌঁছেছিল , যা সেই দেশের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিল | সেই অধ্যায়টি কোনোভাবেই ইউরোপীয়দের ভারত সম্পর্কিত প্রাথমিক পরিকল্পনার অঙ্গ হিসাবে স্বীকৃত হতে পারে না | ইউরোপীয়দের সেদেশে পদার্পণের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল সম্পদ আহরণ করা , বিশেষ করে বাণিজ্যের মাধ্যমে |

ভারতের প্রাচীন রচনাসমূহের গভীরতায় যথাসম্ভব অনুসন্ধান করার প্রচেষ্টায় তারা এক প্রায়-বিস্মৃত সভ্যতার সন্ধান পেতে শুরু করে | সেই প্রাগৈতিহাসিক সভ্যতার অস্তিত্ব সে দেশের স্বল্পসংখ্যক বাসিন্দার কল্পনাতেই সীমাবদ্ধ ছিল | ইউরোপীয়রা বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত , ভারতের বিস্মৃত অতীতের প্রতিনিধি স্বরূপ , অতি-খণ্ডিত প্রাচীন জ্ঞানভাণ্ডারকে যথাসম্ভব পূর্ণরূপ প্রদান করার যে প্রচেষ্টা শুরু করেছিল তা ছিল এক অর্থে তুলনাহীন |

সেই কর্মকান্ডে তাদের সাফল্য মূলত আবর্তিত হয়েছিল খণ্ডিত রচনা সমূহের একত্রীকরণের ক্ষেত্রে | সেই রচনাগুলির অভিপ্রেত অর্থ বোঝার ক্ষেত্রে ইউরোপীয়রা ছিল অসহায় | যে সকল ভারতীয় সেই সব রচনার অবশিষ্টাংশের ঐতিহ্য বহন করে চলেছিল তারাও সেগুলির প্রকৃত মর্মার্থের সম্পূর্ণ সন্ধান দিতে সক্ষম হয়নি | এক কথায় বলতে গেলে মূল সুরটি রয়ে গেলেও , সেই সব রচনার প্রকৃতার্থ চিরতরে হারিয়ে গিয়েছিলো | যেটুকু অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল , তা ছিল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির অবদান | অন্যান্য অনেক কিছুর মতোই , সেই সকল প্রচেষ্টা বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ শেষ হয়ে যায় |

প্রাচীন রচনাসমূহ থেকে জানা যায় যে, মানব সভ্যতার এক অতি ধূসরকালে ভারতের পূর্বাঞ্চলে ‘ বঙ্গ ’ নামে একটি অঞ্চল ছিল | সেই ভূ-রাজনৈতিক একক , মানব ইতিহাসের সেই আদিম যুগেও বিদ্যমান ছিল যে সময়ে বর্তমান মানুষ প্রামাণ্য ইতিহাসের মাধ্যমে পৌঁছাতে পারে | সেই একই ভূ-রাজনৈতিক এককটি সেই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখে ' বাংলা ' নামেও সমধিক পরিচিত | ‘ বাংলা ’ ও ‘ বঙ্গ ’ শব্দের আবির্ভাব নিয়ে অনেক বিশেষজ্ঞ তাদের মতামত দিয়েছেন | ‘ বাংলা ’ শব্দের আবির্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু যৌক্তিক , বিশ্লেষণভিত্তিক ব্যাখ্যা পেশ করা হলেও ‘ বঙ্গ ’ শব্দের ক্ষেত্রে তেমন অগ্রগতি সম্ভব হয়নি | সেই শব্দের তাৎপর্য ব্যাখ্যায় বড়জোর সেই শব্দকে কাছাকাছি উচ্চারণযুক্ত কোনো একটি পূজনীয় সত্তার সাথে সম্পর্কিত করা হয়েছে | সেই শব্দের উৎপত্তির কোনো কারণ-ভিত্তিক বা বাস্তব প্রমাণ-ভিত্তিক ব্যাখ্যা আজ পর্যন্ত দেওয়া সম্ভব হয়নি|

ব্যাখ্যাতীত কোনো এক কারণে চলমান মানবগোষ্ঠী সমূহের উপুর্যুপরি ঢেউ যুগে যুগে বাংলা অববাহিকা অঞ্চলে এসে পৌঁছেছে | সেই ঘটনা অনেকটা হিমালয় এবং দাক্ষিণাত্য মালভূমি অঞ্চল হতে সৃষ্ট পলির অসংখ্য স্তরের মতোই , যেগুলি সহস্রাব্দের পর সহস্রাব্দ ধরে সেই অববাহিকায় ছড়িয়ে পড়েছিল | ইউরোপীয়রা, বিশেষ করে ব্রিটিশরা, সেই প্রকার একটি ঢেউ এর মতোই ছিল | ভারতে এবং একই সাথে বাংলার উপর ঔপনিবেশিক শাসন চাপিয়ে দেওয়া ছাড়াও , তারা সেই ভূখণ্ডের প্রায় বিস্মৃত ঐতিহ্য উন্মোচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল | ব্যাখ্যাতীত কোনো প্রভাবে , তারা বাংলা অববাহিকায় কলকাতা নামে একটি শহর তৈরি করেছিল এবং সেটিকে তাদের দ্বিতীয় স্বদেশ হিসাবে বিবেচনা করতে বেছে নিয়েছিল| ব্রিটিশদের সেখানে একটি দ্বিতীয় স্বদেশ সৃষ্টি করায় উৎসাহ প্রদান করার মতো খুব কম মিলই ব্রিটেন এবং বাংলা অববাহিকার মধ্যে বর্তমান ছিল |

নতুন করে বিস্তৃত পলির স্তরগুলি বঙ্গীয় অববাহিকার ভূগোলকে নিত্যনতুন ভাবে সংজ্ঞায়িত করে চলেছে | একই ভাবে সেই ভূগোলে মানব অভিবাসনের নিত্যনতুন তরঙ্গ সেই অববাহিকার মানব সমাজকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে চলেছে | ব্যবহৃত ভাষা, সংস্কৃতি, অনুভূত ইতিহাস ইত্যাদি সময়ের সাথে সাথে স্বাভাবিক নিয়মে অথবা সচেতন প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়েছে এবং হয়ে চলেছে | সেই অববাহিকার চরিত্র নির্ধারক কিছু মৌলিক বিষয় কারও পক্ষেই মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি | সেই প্রকার বিষয়গুলির মধ্যে ‘ বঙ্গ ’ শব্দটি অন্যতম , অপরটি হলো ‘ বাংলা ’ | মানব ইতিহাসের প্রবল ঘূর্ণাবর্তের মধ্যেও সেই শব্দ দুটি টিঁকে গেছে | কিন্তু কেউই এই শব্দগুলির অস্তিত্বে আসার অথবা তাদের প্রচলনে আসার যুক্তিনির্ভর কোনো ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম হননি |

যে কোনো কিছুর প্রতি আগ্রহ কিছু প্রাপ্তির সম্ভাবনা থেকে উদ্ভূত হয় , তা বস্তুগত প্রাপ্তিই হোক বা অন্য কোনো ধরনের প্রাপ্তি ; তা তাৎক্ষণিক প্রাপ্তি হোক বা ভবিষ্যতে প্রাপ্তির সম্ভাবনা | প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে , ইউরোপীয়দের আগ্রহ তাৎক্ষণিক বস্তুগত প্রাপ্তির সম্ভাবনা থেকে উদ্ভূত হয়নি | খুব সম্ভবত , সেটি একটি বৌদ্ধিক অনুপ্রেরণা ছিল , যা তাত্ক্ষণিক কোনো বৈষয়িক প্রাপ্তির সম্ভাবনা সৃষ্টি করেনি | এখন , কয়েক শতাব্দী অতিবাহিত হওয়ার পরে , বলা যেতে পারে যে সেই প্রাচীন ভারতীয় রচনাগুলিতে মানব মননে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ক্ষমতা ছিল | সেকথা হয়তো ইউরোপীয়গন অনুভব করেছিলেন এবং তা থেকে প্রেরণা লাভ করেছিলেন |

ইউরোপীয়দের , বিশেষত ব্রিটিশদের সেই সব কর্মকাণ্ডের প্রধান কেন্দ্র হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল বাংলা অববাহিকার কলকাতা শহর এবং তার পার্শ্ববর্তী কিছু অঞ্চল | সেইসব কর্মকান্ডের অঙ্গ হিসাবে ছাপাখানার আবির্ভাব ঘটে ; বাংলা সাহিত্য সৃষ্টিতে ব্যাপক উদ্দীপনার সঞ্চার হয় | একটি নবজাগরণ প্রক্রিয়ার সূত্রপাত হয় | ' নবজাগরণ ' শব্দের চয়ন থেকে অনুমান করা যায় যে বিশেষজ্ঞগণের বিচারে , বিস্মৃত সময়ে সেই ভূমির সুপ্রাচীন অধ্যায় বৌদ্ধিক উৎকর্ষের শিখরে আরোহণ করেছিল |

ব্রিটিশদের ভারত শাসনের প্রায় অন্তিম পর্যায়ে , অধ্যাপক হরিচরণ বন্দোপাধ্যায় , রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুপ্রেরণায় এবং ছত্রছায়ায় বাংলা ভাষার একটি অভিধান সৃষ্টি করেন যেখানে বাংলা শব্দ সমূহের আবির্ভাব এবং সেগুলির ব্যাকরণগত যাত্রার বিবরণ উপস্থাপিত হয়েছিল | যে কোনো ভাষা-ভিত্তিক জাতির জন্য , সেই ধরনের অভিধান একটি গর্বের বিষয় এবং সাংস্কৃতিক মেরুদণ্ড হিসাবে প্রতিগনিত হতে পারে | সংস্কৃত ভাষা, বিশেষ করে সংস্কৃত ব্যাকরণ , বর্তমান বাংলা ভাষার বিকাশে কীভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল তার প্রমাণ সেই অভিধান থেকে পাওয়া যেতে পারে |

অধ্যাপক বন্দোপাধ্যায় তাঁর কাজের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের এত অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করেছিলেন যে একজন ব্যক্তির পক্ষে এক জীবনে সেগুলিকে উপলব্ধি করা অসম্ভব | ' বঙ্গ ' শব্দের জন্য তিনি প্রায় নয় দশক আগে যে সমস্ত মতবাদ সূচিবদ্ধ করেছিলেন, তা সেই সময়ের পরে অন্য কোনো বিশেষজ্ঞ দ্বারা নতুন করে সমৃদ্ধ হতে পারেনি | তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেননি| বর্তমান কাল হতে প্রায় শতাধিক কাল পূর্বে তিনি যে কিভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সেই পরিমাণ খুঁটিনাটি বিবরণ সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছিলেন তা বিস্ময়ের উদ্রেক করে |

যাইহোক, সেই ব্যাখ্যাগুলির কোনটিই প্রশ্নাতীতভাবে ' বঙ্গ ' শব্দের উৎসমূল এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে না , যা বাস্তব এবং প্রামাণ্য তথ্য দ্বারা প্রত্যয়িত হতে পারে |

যে ভাবেই হোক নারুর মনে একথার উদয় হয়েছিল যে সেই শব্দের যুক্তিসম্মত ব্যাখ্যা সেই অববাহিকার প্রাচীন ইতিহাসে এক ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে | তার মনে প্রতীত হয়েছিল , সেই শব্দের একটি বিজ্ঞান-সম্মত ব্যাখ্যা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে | একাকী , নীরবে , জীবনের এক অতিদীর্ঘ সময় ব্যাপী সে সেই উদ্দেশ্যে মনোনিবেশ করেছিল |

বর্তমান লেখটি ' বঙ্গ ' শব্দের সাথে যুক্ত প্রহেলিকার সমাধানে নারুর বৌদ্ধিক যাত্রা সম্পর্কিত , যা পরিণতিতে পৌঁছতে সমর্থ হয়েছিল | সে এমন একটি সূত্রের সন্ধান পেতে সমর্থ হয়েছিল যা ‘ বঙ্গ ’ শব্দের প্রকৃত অর্থ এবং তার উদ্ভবের একটি বাস্তবসম্মত, প্রমাণ-ভিত্তিক , অশ্রুতপূর্ব ব্যাখ্যা প্রদান করে |

About the Author

প্রথাগত শিক্ষায় মার্কেটিং ম্যানেজমেন্টের ছাত্র দিব্যেন্দু চক্রবর্তী তাঁর পেশাগত জীবনে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে খুবই অপ্রচলিত কিছু ধারার কাজের সাথে যুক্ত থেকেছেন | কোনো এক অজ্ঞাত কারণে চাকুরী জীবনের উন্নতির হাতছানি তাকে প্রভাবিত করতে পারে নি | তিনি আনন্দ খুঁজে পেয়েছেন কিছু কিছু অমীমাংসিত প্রশ্নের বা সাধারণ ভাবে অচর্চিত বিষয়ের মর্মোদ্ধার করার মাঝে | পঞ্চাশোর্ধ চক্রবর্তী মহাশয় বর্তমান সময়ে কলম ধরেছেন তাঁর অনুভব গুলিকে সুধী পাঠক সমাজের সামনে মেলে ধরার তাগিদে | তাঁকে dibyendu.chakraborty@gmail.com ঠিকানায় যোগাযোগ করা যেতে পারে |

Book Details

Publisher: Dibyendu Chakraborty
Number of Pages: 239
Availability: Available for Download (e-book)

Ratings & Reviews

বাংলার উৎপত্তি অষ্টম পর্ব বঙ্গ

বাংলার উৎপত্তি অষ্টম পর্ব বঙ্গ

(Not Available)

Review This Book

Write your thoughts about this book.

Currently there are no reviews available for this book.

Be the first one to write a review for the book বাংলার উৎপত্তি অষ্টম পর্ব বঙ্গ.

Other Books in Social Science, History

Shop with confidence

Safe and secured checkout, payments powered by Razorpay. Pay with Credit/Debit Cards, Net Banking, Wallets, UPI or via bank account transfer and Cheque/DD. Payment Option FAQs.